সদ্য সংবাদ
Home / সিরাজগঞ্জ / কামারখন্দ / ছাগল চোর সন্দেহে গাছের সাথে বেধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

ছাগল চোর সন্দেহে গাছের সাথে বেধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

কামারখন্দ প্রতিনিধি।। যমুনাপ্রবাহ.কম

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ছাগল চোর সন্দেহে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবককে (২৫)  মধ্যযুগীয় কায়দায় গাছের সাথে বেধে অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ওই নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে কামারখন্দ
উপজেলার জামতৈল কলেজপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। ওই গ্রামের মাছের হ্যাচারী ব্যবসায়ী হ্যাপী অজ্ঞাত পরিচয় যুবকটিকে দেখে ছাগল চোর হিসেবে সন্দেহ করেন এবং তাকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন চালান।

ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপটিতে দেখা যায়, হাত পা বাধা যুবকটির তার হাতের নখগুলো প্লাস দিয়ে ভেঙে ফেলছেন ব্যবসায়ী হ্যাপি। যুবকের হৃদয় বিদারক আর্তচিৎকারেও মন গলেনি ব্যবসায়ী হ্যাপির।  এ সময় নির্যাতনকারী হ্যাপি সন্ধিগ্ধ চোরকে মারতে থাকে আর বলে, “ওর আঙ্গুল দুইটা ভাঙছি ও অন্য চোরদের নাম না বলা পর্যন্ত ওর আঙ্গুল সবগুলো ভাংবো তার আগে ছাড়বো না।  আমি ওকে মেরে ফেলবো না, ওর হাত-পা ভাঙবো তারপর ছেড়ে দেব।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে ছাগল চোর সন্দেহে গাছের সঙ্গে বেধে বেদম মারপিট করে হ্যাপি ও তার ছেলে। গায়ের লোকজন চোরটিকে না মেরে পুলিশে দেয়ার কথা বললেও হ্যাপী কারও কথা শোনেননি। প্রায় দুই ঘন্টা নির্যাতনের পর চোর সন্দিগ্ধ ওই যুববকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আগেও একটি ছাগল চুরি হয়েছে দাবী করে হ্যাপি বলেন, আবার আরেকটি ছাগল নিয়ে যাওয়ার সময় ছাগল চোরকে ছাগলসহ হাতেনাতে ধরে দু একটা চড় থাপ্পর দিয়ে ছেড়ে দিয়েছি।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম যমুনাপ্রবাহ.কমকে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। নির্যাতিত যুবক ও নির্যাতনকারী কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

About jamuna

আবার চেষ্টা করুন

মা ইলিশ ধরার দায়ে ১৬ জেলের কারাদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ যমুনাপ্রবাহ.কম : সিরাজগঞ্জের তিনটি উপজেলায় যমুনা নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ১৬ জেলেকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *