বৃহস্পতিবার , জুন 24 2021
সদ্য সংবাদ
Home / গুরুত্বপূর্ণ / চালের দাম আবারোও বৃদ্ধি বিপাকে সাধারণ মানুষ

চালের দাম আবারোও বৃদ্ধি বিপাকে সাধারণ মানুষ


নিজস্ব প্রতিবেদক || যমুনা প্রবাহ.কম
সিরাজগঞ্জে দফায় দফায় চালের দাম উর্ধ্বমুখী হওয়ায় বিপাকে পড়েছে মধ্যবিত্ত ও নি¤œআয়ের মানুষগুলো। হতাশায় কাটছে তাদের দিন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারী ও খুচরা বাজারে চালের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকহারে। গতকাল রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বানিয়াপট্টিতে ঘুরে এমনই দৃশ্য ছিলো চোখে পড়ার মতো।
সরেজমিনে দেখা যায়, পাইকারী বাজারে ৫০ কেজির বস্তা চালের দাম বেড়েছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। একই সঙ্গে খুচরা পর্যায়ে কেজি প্রতি সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা। পাইকার বলছেন, ধানের দাম বেড়ে যাওযায় মিল মালিকরা চালের দাম বেশি নেওয়ায় আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
এদিকে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকাররা দাম বেশি রাখায় খুচরা বিক্রেতা হিসেবে আমাদেরও বেশি দামে চাল বিক্রি করতে হচ্ছে। চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ক্রেতার সংখ্যাও কমে গেছে। ক্রেতারা বলছেন, দফায় দফায় চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা বিপাকে পড়েছি। এভাবে চালের দাম বাড়লে আমাদের ক্রয় ক্ষমতার নাগালের বাহিরে চলে যাবে।
অপরদিকে, এক সপ্তাহ আগে ২৮ চালের পাইকারি দাম ছিলো ৪৩ টাকা, বর্তমানে ৪৬ টাকা ও খুচরা বাজার ৪৮ টাকা, ২৯ চালের পাইকারি দাম ছিলো ৪০ টাকা, বর্তমানে ৪২ টাকা ও খুচরা বাজারে ৪৪ টাকা, মিনিকেট চালের পাইকারি দাম ছিলো ৪৬ টাকা, বর্তমানে ৪৮ টাকা ও খুচরা ৫২ টাকা, কাটারি চালের পাইকারি দাম ছিলো ৪৭ টাকা, বর্তমানে ৪৮ টাকা ও খুচরা ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে চাল কিনতে আসা গৃহবধু শাহনাজ পারভীন, করিম শেখ, আফাজ উদ্দিন, জাহের মন্ডল বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে চালের দাম এতো বেড়েছে যে চাল কিনতে এসে হিসাব মিলাতে পারছি না। আগে যে দামে চাল কিনেছিলাম আজ দেখি সেই চাল প্রতি কেজিতেই ৩/৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
শহরের রিক্সা চালক আবুল মিয়া বলেন, করোনা মধ্যে এমনিতেই কাজ কর্মই কম। তারপর দফায় দফায় বন্যা। বাড়িতে ৬ জন সদস্য, প্রতিদিন আড়াই কেজি চাল লাগে। এভাবে যদি চালের দাম বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে কষ্টে দিনাতিপাত করতে হবে।
সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের চাতাল মালিক শামিম মন্ডল বলেন, করোনা ও বন্যার কারণে ধানের আমদানি অনেকটাই কমে যাওয়ায় ধান বেশি দামে কিনতে হয়েছে। তাই ধানের দাম বেশি হলে চালের দামও বেড়ে যায়। এখানে মিল মালিকদের কিছুই করার নেই।
এ ব্যাপারে শহরের বানিয়াপট্টি চাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ জুরান আলী শেখ বলেন, সিরাজগঞ্জে কয়েক দফা বন্যা ও করোনার কারনে মিল মালিক ও হাটের পাইকারদের কাজ থেকে বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে। আমরা সামান্য লাভ রেখেই বিক্রি করছি। চালের দাম বাড়ার কারণে আমাদের ক্রেতাও কমেছে। বিপাকে আমরাও রয়েছি। বেচাকেনা অনেকটাই কমে গেছে বলে তিনি জানান।

About jamuna

আবার চেষ্টা করুন

পাঁচ শতাধিক মানুষের দেড়কোটি টাকা নিয়ে চম্পট দিলেন এক নারী

নিজস্ব প্রতিবেদক || যমুনাপ্রবাহ.কম প্রকাশ কাল: ২৩৫০ ঘন্টা, জুন ২৩, ২০২১ সিরাজগঞ্জ: করোনা মহামারীতে কর্মহীন …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।