সদ্য সংবাদ
Home / সিরাজগঞ্জ / কাজিপুর / আগষ্টেই কাজিপুর খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহের লক্ষমাত্রা অর্জিত হবে

আগষ্টেই কাজিপুর খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহের লক্ষমাত্রা অর্জিত হবে

টি এম কামাল, কাজিপুর উপজেলা প্রতিনিধি

যমুনাপ্রবাহ.কম : সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় ইরি-বোরো মৌসুমে সরকারের  চাল সংগ্রহ অভিযানের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সরকার নির্ধারিত ধানের দাম খোলা বাজারের চেয়ে কম হওয়ায় সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন চালকল মালিক ও কিছু সংখ্যক কৃষক ।  সরকার চলতি বোরো মৌসুমে খাদ্য বিভাগের সাথে  সরকারি তালিকাভুক্ত ২১টি হাসকিং মিল ও ৯টি সেমি অটো রাইস মিল থেকে ১৬১৫ মেট্রিক টন চাল এবং ১৮১৫ মেট্রিক টন ধান এবং গম ১৫৩ মেট্রিক টন ক্রয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন । ২৯শে এপ্রিল ২০২১ শুরু হয় ধান, চাল ও গম সংগ্রহের কাজ। ২৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সংগ্রহ হয়েছে ১১০৭ মেট্রিক টন ধান আর চাল সংগ্রহ করা হয়েছে ১৫২৯ মেট্রিক টন, গম ১৫০ মেট্রিক টন । আতব চাল ১১০ মেট্রিক টন  লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস  সৃত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে ২৭ টাকা কেজি দরে ধান, চাল ৪০টাকা, আতব চাল ৩৯ টাকা, গম ২৮ টাকা দরে মিলারদের নিকট থেকে সরকার সংগ্ৰহের সিদ্ধান্ত গ্ৰহণ করে। ইতিমধ্যে ২১টি  হাসকিং মিল এবং ৯টি সেমি অটো রাইস মিল পে-অর্ডার করে সরকারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। 
চালকল মালিকরা জানান, মৌসুমের শুরু থেকেই করোনা এবং বৃষ্টির কারণে চাল তৈরির প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং এক বছর ধরে সরকার নিধারিত ধান ও চালের মূল্য চেয়ে বাইরে খোলা বাজারে দাম বেশি হওয়ায় খাদ্য গুদামে ধান ও চাল দিয়ে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্ৰস্থ হতে চান না মিলার ও অনেক কৃষক। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বাজারে চালের দাম বেশি হওয়ায় চাল দিতে পারেননি মিলাররা। আর বাজারে ধানের দাম বেশি পেয়ে সরকার নির্ধারিত দামে ধান বিক্রি করতে ইচ্ছুক নন অধিকাংশ কৃষক । বাইরে হাট বাজারে ধানের দাম বেশি হওয়ায় এবং প্রতি কেজি চাল উৎপাদনে যে খরচ হচ্ছে তা সরকার নিধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি ।
কাজিপুর উপজেলা চাল কল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মৌসুমে শুরুতে ধানের দাম কম ছিল কিন্তু হঠাৎ করে দাম বেশি হওয়ায় ধান কিনে চাতালে নিয়ে এসে সিদ্ধ করে শুকিয়ে মিলে ভেঙে সাটার করে চাল খাদ্য গুদামে সরবরাহ  করলে লোকশান গুনতে হচ্ছে। এ লোকশানের ভয়ে গত বছরের মতো অনেক মিলার সরকারের সাথে চুক্তি হয়েও চাল দিচ্ছেন না। কাজিপুরে আমরা তালিকাভুক্ত ৩০ জন মিলার লোকসান দিয়েও ধান চাল সরবরাহ করছি শুধু জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবার ভয়ে।
কাজিপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবহান জানান, মিল মালিকরা পে-অর্ডার  করে  সরকারের সাথে চাল সরবরাহে চুক্তি হয়েছেন। খাদ্য বিভাগ থেকে চলতি ইরি বোরো মৌসুমে চাল সংগ্রহ অভিযান সফল করতে আমরা সবাত্বক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ৩১শে আগস্টের  মধ্যে  লক্ষ্যমাত্রা অবশ্যই অর্জিত হবে।

About jamuna

আবার চেষ্টা করুন

নির্বাচনী কন্ট্রোল রুমে পাল্টে গেল ভোটের ফল: আদালতে স্বতন্ত্র প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ যমুনাপ্রবাহ.কম: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙালা ইউনিয়নের পশ্চিম সাতবাড়ীয় এবতেদায়ী মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *