সদ্য সংবাদ
Home / সিরাজগঞ্জ / চৌহালী / অসময়ে যমুনার ভয়াবহ ভাঙ্গনে হুমকির মুখে প্রাথমিক বিদ্যালয়

অসময়ে যমুনার ভয়াবহ ভাঙ্গনে হুমকির মুখে প্রাথমিক বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক|| যমুনাপ্রবাহ.কম

সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে শুস্ক মৌসুমেও যমুনা ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। অসময়ে যমুনার ভাঙ্গণের তান্ডবে বিলিন হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ চর সলিমাবাদ গ্রামের পয়লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।

দক্ষিণ চর সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম হোসেন বলেন, নদীভাঙন কবলিত চার গ্রামের দরিদ্র পরিবারের ছেলেমেয়েরা এই স্কুলটিতে লেখাপড়া করে। আশপাশে আর কোন স্কুল না থাকায় এ স্কুলটিই তাদের একমাত্র ভরসা। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চল নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। ধীরে ধীরে যমুনা স্কুলটির খুব কাছেই চলে এসেছে। যে কোন সময় স্কুলটি নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে চলে গেলে চারটি গ্রামের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নষ্ট হয়ে যাবার আশংকা রয়েছে। এখানকার মানুষগুলো অত্যন্ত দরিদ্র হওয়ায় দূরের কোন স্কুলে গিয়ে পড়ালেখা করানোর সাধ্য অভিভাবকদের নেই। খুব দ্রæত ভাঙনরোধে জরুরী ব্যবস্থা নেয়া দরকার। বিষয়টি চৌহালি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে জানানো হয়েছে।

এদিকে ওই স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক বাবুল আক্তার, জাহাঙ্গীর ফকির ও মজিবর রহমানসহ অনেকেই বলেন স্কুলটি ভেঙ্গে গেলে তাদের ছেলে মেয়েদের পড়া-লেখা বন্ধ হয়ে যাবে। দূরের কোন স্কুলে তারা ছেলেমেয়েদের পাঠাতে পারবেন না। বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কাহ্হার সিদ্দিকী বলেন, এই বিদ্যালয়সহ তার ইউনিয়নের বেশিরভাগ গ্রামই যমুনার ভাঙ্গণে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। অথচ এ ভাঙ্গণরোধে তেমন কোন বার্যকরি পদক্ষেপ নিচ্ছেনা।

চৌহালি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর ফিরোজ বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে। তিনি টাঙ্গাইল পানিউন্নয়ন বোর্ডকে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু তারা এখনও কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্কুল ঘরটি ওই স্থান থেকে সরিয়ে নিয়ে আপাতত নিরাপদ স্থানে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে জমি পেয়ে সেখানে ঘরটি তুলে স্কুলের কার্যক্রম চালানো হবে। এ সময় পর্যন্ত একটি মালিকানাধিন জায়গায় স্কুলের কার্যক্রম চালানো হবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভাঙ্গণ রোধে অচিরেই ওই এলাকায় জিওটেক্স বালুর বস্তা ফেলার কাজ শুরু করা হবে। এ ছাড়া ওই এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য সাড়ে ৬০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প জমা দেওয়া আছে। প্রকল্পটি অনুমোদন হলেই ওই এলাকায় স্থায়ী বাধ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

আবার চেষ্টা করুন

সিরাজগঞ্জে ইটভাটার চুলার দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক || যমুনাপ্রবাহ.কম আপডেট সময়: ০২ঃ০৮ ঘন্টা: ১১ মে : ২০২১ সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জে ইটভাটার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *